চুয়েট ক্যাম্পাসে টানা ২৩ দিন ধরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিবাদে লিপ্ত, ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস‑পরীক্ষা সহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ। উপাচার্য মি. X বলেন তিনি পদত্যাগ করেননি, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি‑বিধি ও শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। এই ঘোষণা শিক্ষার্থী‑শিক্ষক সমিতির মধ্যে উচ্ছ্বাস জাগিয়েছে, কারণ তারা মনে করেন উপাচার্যের অবস্থান তাদের দাবির প্রতি সমর্থন। প্রতিবাদের ফলে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করছে।
প্রতিবাদের মূল কারণ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের অধিকার লঙ্ঘন, যেমন ভর্তি প্রক্রিয়া, ফি বৃদ্ধি, এবং শিক্ষণ সামগ্রীর অভাব। পূর্বে কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, যেমন ২০২২ সালে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে হিংসা, এবং ২০২৩ সালে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা লঙ্ঘন। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দাবি করেন যে বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীর স্বার্থে নীতি পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া, শিক্ষণ মানের অবনতি ও গবেষণা সুযোগের অভাবও প্রতিবাদের কারণ। এই দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন শিক্ষাবিদদের মধ্যে একতা ও সমবেদনা সৃষ্টি করেছে।
উপাচার্য মি. X বলেন, ‘আমার পদত্যাগের কোনো ইচ্ছা নেই, বরং আমি শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় অবিচল থাকব।’ শিক্ষার্থী সমিতির সভাপতি মি. Y বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাব যতক্ষণ না আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়।’ শিক্ষকরা উল্লেখ করেন যে তারা শিক্ষার্থীদের সাথে একত্রে কাজ করছেন, এবং প্রশাসনের সাথে আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছেন। সরকারী কর্মকর্তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেননি, তবে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। জনসাধারণের মধ্যে এই প্রতিবাদের প্রতি সমর্থন বাড়ছে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে।
ক্যাম্পাসে পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তারা শান্তি রক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারী বিভাগগুলো এখন আলোচনার টেবিলে বসেছে, এবং একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন যে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। ভবিষ্যতে, যদি দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হয়, তবে প্রতিবাদ আরও তীব্র হতে পারে। কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে যে তারা শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ শোনে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে, যাতে শিক্ষাব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে।