বিমান মন্ত্রী শ্রীমতি রানা আজ জাতীয় সংবাদে ঘোষণা করেন যে, আগামী দশকে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দেশের বিমান চলাচল খাতে বার্ষিক আন্তর্জাতিক যাত্রীসংখ্যা তিন কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই লক্ষ্যে বিমানবন্দর ও কার্গো সুবিধাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করা অপরিহার্য। এই উদ্যোগটি দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন, পর্যটন বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সংযোগকে শক্তিশালী করবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও রাজশাহী বিমানবন্দরসহ কয়েকটি বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে ব্যর্থ। বিমান মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে এই বিমানবন্দরগুলোকে বিশ্বমানের করা হবে। এছাড়া, কার্গো হাব হিসেবে কুয়েত, সৌদি আরব ও ইউরোপের সাথে সরাসরি লাইন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ বিষয়ে বিমান চলাচল সমিতির সভাপতি ও প্রধান এয়ারলাইনসের মুখপাত্ররা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলেন, এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক যাত্রী ও কার্গো প্রবাহ বাড়িয়ে দেশের আয় বৃদ্ধি করবে। সাধারণ জনগণও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে, কারণ এটি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি ও শহরগুলোর মধ্যে সংযোগ উন্নত করবে।
কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ২০২৫ সাল থেকে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ ও বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর আধুনিকায়নের জন্য ৫০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থার সাথে সহযোগিতা করে নিরাপত্তা ও সেবা মান উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পগুলো সফল হলে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বিমান হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।