প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
অপরাধ

লোকজন জড়ো হয়ে ঘিরে ধরে পুলিশকে, ফাঁকে পালিয়ে যায় হত্যা মামলার আসামি

গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা শহরের গুলশান রোডে এক হিংসাত্মক ঘটনার সাক্ষী হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা একত্রিত হয়ে পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে ধরেন। পুলিশের জানামতে, পূর
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 30, 2026 প্রিন্ট: 30 Oct 2026, 08:27 PM
লোকজন জড়ো হয়ে ঘিরে ধরে পুলিশকে, ফাঁকে পালিয়ে যায় হত্যা মামলার আসামি

গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা শহরের গুলশান রোডে এক হিংসাত্মক ঘটনার সাক্ষী হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা একত্রিত হয়ে পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে ধরেন। পুলিশের জানামতে, পূর্বে একটি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন, ৩২ বছর বয়সী রাহিম উদ্দিন, গুলশান রোডের নিকটবর্তী একটি গৃহে লুকিয়ে থাকায়, পুলিশ দল তাকে গ্রেফতার করার জন্য গৃহে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে, গৃহের দরজা ভেঙে প্রবেশের মুহূর্তে, আশেপাশের ভিড়ের মধ্যে রাহিম দ্রুত একটি গলিতে সরে গিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিড়ের সহায়তায় সন্দেহভাজনকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মৃত্যুজনিত মামলাটি গত মাসে ঢাকা শহরের একটি বাণিজ্যিক এলাকায় সংঘটিত হয়। শিকারের পরিচয় ৪৫ বছর বয়সী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী, যিনি রাতের বেলা গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গুলশান রোডে গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় পুলিশ তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে যে, রাহিম উদ্দিন ও শিকারের মধ্যে পূর্বে ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল এবং সন্দেহভাজনকে অপরাধের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতিরিক্তভাবে, গৃহে পাওয়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও সিসিটিভি রেকর্ডে রাহিমের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে, যা গ্রেফতার আদেশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

পুলিশের মুখপাত্র রশিদুল ইসলাম জানান, 'দলটি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করেছে, তবে ভিড়ের হস্তক্ষেপে তা ব্যর্থ হয়েছে'। স্থানীয় বাসিন্দা সুমাইয়া বেগম উল্লেখ করেন, 'আমরা সবাই জানি রাহিমের অপরাধ, কিন্তু ভিড়ের মধ্যে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করা অযৌক্তিক'। অপরাধবিবরণীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী শফিকুল হকও মন্তব্য করেন, 'সন্দেহভাজনকে আইনসঙ্গতভাবে গ্রেফতার করা উচিত, জনসাধারণের সহায়তা না থাকলে তা কঠিন হয়'। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটির ব্যাপক আলোচনায় নাগরিকদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান বেড়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইনশৃঙ্খলা মন্ত্রণালয় এই ঘটনার পর দ্রুত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে, যা সন্দেহভাজনের অনুসন্ধান ও গ্রেফতার নিশ্চিত করবে। ঢাকা পুলিশ বিভাগ অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও গাড়ি মোতায়েনের মাধ্যমে গলিপথ ও আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চালাবে। এছাড়া, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভিড়ের হস্তক্ষেপ রোধে সচেতনতা কর্মসূচি চালু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আইন প্রয়োগে কঠোরতা বজায় রাখা এবং অপরাধীকে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.