প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
জাতীয়

শিশুর মানসিক বিকাশে অভিভাবকের ভূমিকা: বিশেষজ্ঞদের জরুরি পরামর্শ

বাংলাদেশে শিশুদের মানসিক বিকাশ ও আবেগীয় সুস্থতা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের অভিভাবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে浮ে উঠেছে।
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 30, 2026 প্রিন্ট: 30 Oct 2026, 09:16 AM
শিশুর মানসিক বিকাশে অভিভাবকের ভূমিকা: বিশেষজ্ঞদের জরুরি পরামর্শ

বাংলাদেশে শিশুদের মানসিক বিকাশ ও আবেগীয় সুস্থতা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের অভিভাবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে浮ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শৈশবকালীন মানসিক বিকাশের জন্য পরিবারের পরিবেশ, অভিভাবকের আচরণ এবং সঠিক তথ্যের অভাব এই সমস্যার মূল কারণ। এই প্রতিবেদনে শিশুর মানসিক বিকাশে অভিভাবকদের করণীয় এবং বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

গবেষণা থেকে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অনেক পরিবারে শিশুদের আবেগীয় প্রয়োজনগুলো উপেক্ষা করা হয়। অভিভাবকরা প্রায়শই শিশুদের আবেগ প্রকাশকে ‘ভয়ংকর’ বা ‘অসম্মত’ হিসেবে দেখেন, যা শিশুর মানসিক চাপ বাড়ায়। এছাড়া, স্কুলে অতিরিক্ত চাপ, সামাজিক তুলনা এবং পরিবারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের আবেগ বুঝতে এবং তাদের সাথে খোলামেলা যোগাযোগ স্থাপন করা জরুরি।

শিশু বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের সাথে নিয়মিত সময় কাটানো, তাদের কথা শোনা এবং আবেগকে স্বাভাবিক মনে করা উচিত। তারা বলেন, শিশুদের সমালোচনা নয়, বরং সমর্থন প্রদান করা দরকার। এছাড়া, শিশুদের খেলাধুলা, শিল্পকলা এবং সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া মানসিক বিকাশে সহায়ক। অভিভাবকদের নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও জরুরি, কারণ অভিভাবকের মানসিক অবস্থা শিশুর উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা এবং অভিভাবকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও সহনশীল পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে তারা সুস্থ ও সুখী জীবনযাপন করতে পারে। এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিশুদের মানসিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.