প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
অপরাধ

নদীপথে হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি—নিরাপত্তাহীনতা গড়ে তুলছে বিশাল ঝুঁকি

দুপুরের পর এক সন্ধ্যায় বাংলাদেশের বিশাল নৌপথে একাধিক হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি সংঘটিত হয়েছে। দুর্গম চর ও মোহনা অঞ্চলের অগভীর জলে নৌযাত্রী ও নৌসেনা কর্মী
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 24, 2026 প্রিন্ট: 24 Oct 2026, 11:04 AM
নদীপথে হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি—নিরাপত্তাহীনতা গড়ে তুলছে বিশাল ঝুঁকি

দুপুরের পর এক সন্ধ্যায় বাংলাদেশের বিশাল নৌপথে একাধিক হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি সংঘটিত হয়েছে। দুর্গম চর ও মোহনা অঞ্চলের অগভীর জলে নৌযাত্রী ও নৌসেনা কর্মী হঠাৎ আক্রমণের শিকার হয়ে আহত ও নিহত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ দলও চাঁদাবাজিদের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জরুরি চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এই আক্রমণগুলো একাধিক গোষ্ঠী সমন্বয়ে পরিকল্পিত ছিল এবং নৌপথের নিরাপত্তা ঘাটতির সুবিধা নিয়ে করা হয়েছে। এই ঘটনা দেশের নৌপরিবহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর তীব্র প্রশ্ন তুলেছে।

নদীপথের নিরাপত্তা সমস্যার পটভূমি বহু বছর আগে থেকেই বিদ্যমান। দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথগুলো বাণিজ্যিক ও যাত্রী পরিবহনের প্রধান ধারা, তবে পর্যাপ্ত নজরদারি ব্যবস্থা না থাকায় অপরাধীরা সহজে লুকিয়ে কাজ করতে পারে। পূর্বে একই অঞ্চলে চাঁদাবাজি, জালিয়াতি ও চোরাচালান সংক্রান্ত অভিযোগ রেকর্ড করা হয়েছে, তবে সীমিত বাজেট ও দুর্বল সমন্বয় কারণে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি। এছাড়া, নদীর বিস্তৃততা ও অগভীর চর-দ্বীপের জটিল ভূগোল নিরাপত্তা কর্মীদের দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদানকে কঠিন করে তুলেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, নৌযাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চাঁদাবাজি গোষ্ঠীর নেতার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎকারে এক নৌযাত্রী বললেন, “নদীর পথে নিরাপত্তা না থাকলে আমরা আর ভ্রমণ করতে পারব না; আমাদের জীবিকা ঝুঁকিতে।” পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “আমাদের দলে যথেষ্ট প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম না থাকায় এই ধরনের আক্রমণ রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” মানবাধিকার সংস্থা গুলিও এই ঘটনার পর নৌপথে জরুরি নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরির আহ্বান জানিয়েছে এবং সরকারকে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

অধিকাংশ কর্তৃপক্ষ এখনই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার জানিয়েছেন, “নদীপথে অতিরিক্ত পেট্রোল গাড়ি ও দ্রুতগামী প্যাট্রোল বোট স্থাপন করা হবে, এবং রাতের সময় নজরদারি বাড়ানো হবে।” পাশাপাশি, মন্ত্রণালয় নৌপথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, স্থানীয় গার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চাঁদাবাজি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্ত ইউনিট গঠন করার পরিকল্পনা করেছে। ভবিষ্যতে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সমন্বিত নিরাপত্তা নীতি প্রণয়ন করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.