প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
জাতীয়

ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প একনেকে উঠছে ৩ নভেম্বর

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্পটি ৩ নভেম্বর তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে উ
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 23, 2026 প্রিন্ট: 26 Oct 2026, 03:06 PM
ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প একনেকে উঠছে ৩ নভেম্বর

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্পটি ৩ নভেম্বর তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। প্রকল্পটির মাধ্যমে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি পর্যটন খাতের বিকাশেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এই সিদ্ধান্ত দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন নীতির একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত ছিল।

এই প্রকল্পের নেপথ্যে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকটের সমাধানের প্রত্যাশা। বর্তমানে ভাঙ্গা–কুয়াকাটা সড়কটি অনেকটা ক্ষয়প্রাপ্ত ও সংকীর্ণ হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে। এছাড়াও, কুয়াকাটা উপকূলীয় এলাকাটি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় পর্যটকদের যাতায়াতে সুবিধা নিশ্চিত করা এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে এই প্রকল্পটি বিলম্বিত হলেও, বর্তমান সরকারের অধীনে অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়ায় এটি একনেকের অজেন্ডায় স্থান পেয়েছে।

প্রকল্পটির ঘোষণা দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের মধ্যে ব্যাপক আশা ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ও ব্যবসায়ীরা এই মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। পর্যটন খাতে কর্মরতরাও এই প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এটি কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের মতামত গ্রহণের বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে, যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একনেকের অনুমোদন পাওয়ার পরপরই প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেকসই ও মজবুত সড়ক নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরী করবে। সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন নীতির সফল বাস্তবায়নের একটি উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.