প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
রাজনীতি

সরকার পতন নয়, অবাধ নির্বাচন চাই: বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে তুলনার জবাবে শশী থারুর

কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুর সম্প্রতি দিল্লি হাউসে এক সাক্ষাৎকারে ভারত, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলনা করে মন্তব্য করেন যে বিরোধীরা সরকার পতনের
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 19, 2026 প্রিন্ট: 21 Oct 2026, 02:56 AM
সরকার পতন নয়, অবাধ নির্বাচন চাই: বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে তুলনার জবাবে শশী থারুর

কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুর সম্প্রতি দিল্লি হাউসে এক সাক্ষাৎকারে ভারত, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলনা করে মন্তব্য করেন যে বিরোধীরা সরকার পতনের দাবি না করে কেবল অবাধ নির্বাচন চাইছে। এই বক্তব্যটি ভারতীয় রাজনীতিতে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। থারুরের উক্তি দেশের শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনসাধারণের প্রত্যাশা প্রকাশ করে, ফলে দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিকতা অর্জন করেছে।

এই মন্তব্যের পটভূমিতে ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও বিরোধী গোষ্ঠীর অবাধ নির্বাচনের দাবি অন্তর্ভুক্ত। অতীতের কয়েকটি নির্বাচনে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বৈধতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ায় বিরোধীরা পুনরায় স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। তদুপরি, ফ্রান্সে সাম্প্রতিক সময়ে সরকার পরিবর্তনের আলোচনার ফলে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় তুলনা করা হয়, যেখানে শাসন পরিবর্তনের চেয়ে নির্বাচনের গুণগত মানের ওপর জোর দেওয়া হয়। থারুরের মন্তব্য এই দুই দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করার ইঙ্গিত বহন করে।

থারুরের মন্তব্যের পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর অফিস এবং বাংলাদেশ সরকারের উভয় পক্ষই দ্রুতই প্রতিক্রিয়া জানায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী অফিসের মুখপাত্র বলেন, থারুরের মন্তব্য কেবল ব্যক্তিগত মতামত এবং তা সরকারী নীতি নয়, তবে গণতন্ত্রের মৌলিক নীতি রক্ষার গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও এই মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের নির্বাচনী প্রস্তাবকে দৃঢ় করে তুলেছে, ফলে জনমত গঠনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচিত হয়েছে।

অধিকাংশ বিশ্লেষক ও নীতি নির্ধারক এখন সরকারকে নির্বাচনী সংস্কারের জন্য ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটার তালিকা আপডেট, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যবহার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষক সংস্থার অংশগ্রহণের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে সরকার যদি অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়, তবে তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সুনাম উভয়ই বৃদ্ধি করবে। থারুরের মন্তব্যের মাধ্যমে উত্থাপিত আলোচনাটি এখন দেশের শাসনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রোডম্যাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.