প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Ekushey Television
Ekushey Television
Ekushey Television QR Code
অপরাধ

আমার ভাইয়ের ডান পায়ের গোড়ালিতে কোপ দেয়, তাতে তার পায়ের রগ কেটে যায়: জবানবন্দিতে সাক্ষী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বুধবার মোছা রোকসানা আক্তার, যিনি জুলাই শহীদ মো. উবাইদুল হকের বোন, জবানবন্দিতে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হন। তিনি জানিয়ে দেন যে তা
প্রতিবেদক: EKUSHEY TELEVISION LTD. প্রকাশ: Oct 14, 2026 প্রিন্ট: 15 Oct 2026, 12:57 PM
আমার ভাইয়ের ডান পায়ের গোড়ালিতে কোপ দেয়, তাতে তার পায়ের রগ কেটে যায়: জবানবন্দিতে সাক্ষী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বুধবার মোছা রোকসানা আক্তার, যিনি জুলাই শহীদ মো. উবাইদুল হকের বোন, জবানবন্দিতে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হন। তিনি জানিয়ে দেন যে তার ভাইয়ের ডান পায়ের গোড়ালিতে একাধিক কোপ দেওয়া হয়, যার ফলে পায়ের রগ কেটে যায় এবং তীব্র রক্তপাত হয়। এই ঘটনার সরাসরি সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালের তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করেছে এবং অপরাধের তীব্রতা ও শিকারীর শারীরিক ক্ষতির মাত্রা স্পষ্ট করেছে। সাক্ষীর বর্ণনা অনুসারে, আক্রমণটি হঠাৎ এবং পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়, যা ঘটনার তাৎক্ষণিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

এই মামলার পটভূমি হল ২০২৩ সালের শেষের দিকে জবানবন্দি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের বৃদ্ধি। ঐ অঞ্চলে পূর্বে বহুবার মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গৃহহিংসা ঘটেছে, যার মধ্যে অপ্রতুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগে অক্ষমতা উল্লেখযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, জাতিসংঘের অনুমোদিত একটি বিশেষ আদালত, এই ধরনের গুরুতর অপরাধের তদন্ত ও বিচার করার দায়িত্বে রয়েছে। পূর্বে একই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গৃহহিংসা, ধর্ষণ এবং হত্যা সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা এই নতুন সাক্ষ্যের মাধ্যমে পুনরায় আলোচনার মুখে এসেছে।

সাক্ষী রোকসানা আক্তার তার বর্ণনা দিয়ে স্পষ্ট করেন যে আক্রমণকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা শারীরিকভাবে শিকারকে আঘাত করে তাকে অক্ষম করে তুলতে চেয়েছিল। তার ভাইয়ের পরিবার এই ঘটনার পর শোক ও ক্রোধের মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেছে, এবং তারা দ্রুত ন্যায়বিচার চায়। মানবাধিকার সংস্থা এবং আইন বিশেষজ্ঞরা এই সাক্ষ্যকে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে গৃহহিংসা ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে, ট্রাইব্যুনালের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। সাধারণ জনগণও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমর্থন প্রকাশ করেছে, এবং শিকার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ন্যায়বিচারের দাবি তীব্র করেছে।

ট্রাইব্যুনাল-১ ইতিমধ্যে সাক্ষীর বর্ণনা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তদন্ত দল প্রমাণ সংগ্রহ, ভিডিও রেকর্ড এবং অন্যান্য সাক্ষীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রমাণের দৃঢ়তা বাড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে আদালত এই মামলাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের অধীনে বিচার করবে এবং শিকারীর ক্ষতিপূরণ, অপরাধীর শাস্তি এবং পুনরায় এমন ঘটনা রোধে নীতি নির্ধারণের দিকনির্দেশনা দেবে। এ ধরণের পদক্ষেপের মাধ্যমে জবানবন্দি অঞ্চলে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানো হবে।

© 2026 ekusheytelevision. All rights reserved.