রিসেপশনিস্ট হিসেবে শুরু করা কর্মী আজ ‘সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং’ বিভাগের প্রধান পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, যা দেশের কর্পোরেট জগতে এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকা ভিত্তিক বহুজাতিক আইটি সেবা প্রদানকারী ‘টেকসোর্স লিমিটেড’ এ ২০০৯ সালে রিসেপশনিস্ট পদে যোগদানকারী শ্রীমতি রোশনি আহমেদ, দশ বছরের ধারাবাহিক পরিশ্রম ও ফলপ্রসূ অবদানের মাধ্যমে এই শীর্ষ পদে পৌঁছেছেন। তার এই পদোন্নতি কোম্পানির মানবসম্পদ নীতি ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে, যা কর্মীদের মধ্যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করেছে।
শ্রীমতি রোশনি আইটি শিল্পের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজের সময় তিনি গ্রাহক সেবা, ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে দক্ষতা অর্জন করেন, যা পরবর্তীতে বিক্রয় ও বিপণন দলের সঙ্গে সমন্বয় সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০১৪ সালে তিনি সেলস সহকারী হিসেবে পদোন্নতি পান, এরপর ২০১৭ সালে সেলস কোঅর্ডিনেটর এবং ২০২১ সালে সেলস ম্যানেজার পদে অধিষ্ঠিত হন। তার নেতৃত্বে বিক্রয় লক্ষ্য ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং নতুন বাজারে প্রবেশের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।
কোম্পানির সিইও মি. আরিফুল হক বলেন, ‘রোশনি সাহেবের কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি আমাদের সংস্থার জন্য অমূল্য। তিনি গ্রাহক সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিক্রয় দলকে সৃজনশীলভাবে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।’ সহকর্মী ম্যানেজার মিস. সুমাইয়া রায়ও উল্লেখ করেন, ‘রোশনি সাহেবের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই অনুপ্রেরণাদায়ক। তার সিদ্ধান্ত গ্রহণের দ্রুততা ও ন্যায়পরায়ণতা কর্মীদের মনোবল বাড়িয়ে দেয়।’ কর্মীদের মধ্যে তার পদোন্নতি নিয়ে ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে; বেশ কয়েকজন কর্মী ভবিষ্যতে একই রকম ক্যারিয়ার গড়ার আশা প্রকাশ করেছেন।
কোম্পানি এখন রোশনি সাহেবের নেতৃত্বে নতুন পণ্য লঞ্চ ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পরিকল্পনা চালু করেছে। মানবসম্পদ বিভাগ এই উদাহরণকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করে কর্মীদের জন্য ক্যারিয়ার পাথ তৈরি করার নীতি জোরদার করেছে। সরকারী শ্রম মন্ত্রণালয়ও এই ধরনের অভ্যন্তরীণ ক্যারিয়ার অগ্রগতিকে সমর্থন করে কর্মসংস্থান নীতি প্রণয়নে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে রোশনি সাহেবের দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশলগত পরিকল্পনা সংস্থার আয় বৃদ্ধি, কর্মী সন্তুষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।