বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৩ সেপ্টেম্বর একটি অমোহন শোক ও শ্রদ্ধার দিন হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনটি পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম হিসেবে পালিত হয়, যা ১৯৭৫ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ জেনারেল জিয়াউর রহমানসহ ১৫ জন বীরসেনানীর শহীদ হওয়ার ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শহীদ হওয়ার ২০তম বর্ষপূর্তিও এই দিনে পালিত হয়। এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় অখণ্ডতার জন্য আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। সারাদেশে এই দিনটি শোকপূর্ণ পরিবেশে কাটে, যেখানে জনসাধারণ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ করেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর একটি কালো অধ্যায় হিসেবে বহুত। এই দিনে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ জেনারেল জিয়াউর রহমানসহ ১৫ জন বীরসেনানী নিহত হন। এরপর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিহত হন। এই দুটি ঘটনার ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম পালিত হয়। এই দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় অখণ্ডতার জন্য আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি সুযোগ। এই দিনে সারাদেশে শোকপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে এবং জনসাধারণ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ করেন।
এই দিনে সারাদেশে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও চার্চে বিশেষ ফাতেহা ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলোও এই দিনে শোকপূর্ণ পরিবেশে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। জনসাধারণ এই দিনে শোকপোশাক পরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। এই দিনটি জাতির ঐক্য ও সৌহারদের একটি সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও বিশ্লেষকরা এই দিনে জাতির শোক ও শ্রদ্ধার কথা তুলে ধরেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করান। জনজীবনে এই দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত, যেখানে সারাদেশে শোকপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে।
কর্তৃপক্ষ এই দিনে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং শোকপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই দিনে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ভবিষ্যতে এই দিনটি জাতির ঐক্য ও সৌহারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে পালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। কর্তৃপক্ষ এই দিনে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং শোকপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই দিনে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ভবিষ্যতে এই দিনটি জাতির ঐক্য ও সৌহারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে পালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।